আসসালামু আলাইকুম হাই ,,MM IT BARI,, এই ওয়েবসাইট ভিজিট করার জন্য আপনাকে স্বাগতম।

রাজশাহীর মতো ধরবে আম, যে কাজ গুলো করতেই হবে আম গাছের জন্য



 আম_গাছে_সার_প্রয়োগ_পদ্ধতি 

সামনের বছর ভালো ফলন পেতে হলে এখনই আম গাছের যত্ন নিন!

এবার বেশি আম ধরলে, পরের বছর কম ধরতে পারে – যদি এখন সঠিক পরিচর্যা না করেন

আম গাছে ফলন বাড়াতে আম সংগ্রহ শেষে সঠিক পরিচর্যা নিন।

আম সংগ্রহ শেষ হলে এখন যা করবেনঃ

১. ডাল ছাঁটাই করুন:

যেসব ডালে এ বছর আম ধরেছে, সেই ডালগুলো ও মরা ডাল কেটে ফেলুন। এতে গাছ হালকা হবে এবং নতুন কুঁড়ি বের হয়।

ছাঁটাইয়ের পর কপার অক্সিক্লোরাইড গ্রুপের  ছত্রাকনাশক স্প্রে করুন (প্রতি লিটার পানিতে ৩ গ্রাম হারে )।

২. সার প্রয়োগ :

যদি আগে সার না দিয়ে থাকেন, তাহলে আম সংগ্রহের পর সার প্রয়োগ করুন। এতে গাছ শক্তি ফিরে পাবে ও নতুন ডাল-পালা গজাবে।

৩. পোকা দমন করুন:

নতুন কচি পাতায় পোকার আক্রমণ দেখা দিলে নাইট্রো বা ক্যারাটে জাতীয় কীটনাশক স্প্রে করুন।

সার কোথায় দেবেন?

সার কখনোই গাছের একেবারে গোড়ায় দেবেন না। গাছের শিকড় যতদুর ছড়িয়ে থাকে তত দুরত্বে সার দিতে হবে:

  • গাছের গোড়া থেকে নির্দিষ্ট দূরত্বে সার প্রয়োগ করুন। 
  • ছোট গাছ: ৩০–৫০ সেমি দূরে
  • মাঝারি গাছ: ১.৫–২.০ মিটার দূরে
  • বড় গাছ: ২.৫–৩.০ মিটার দূরে

গাছের বয়স অনুযায়ী সার প্রয়োগের মাত্রা:

২-৪ বছর বয়সী গাছের জন্য:

গোবর: ১০-১৫ কেজি

ইউরিয়া: ২৫০ গ্রাম

টিএসপি: ২৫০ গ্রাম

এমপি: ১০০ গ্রাম

জিপসাম: ১০০ গ্রাম

জিংক সালফেট: ১০ গ্রাম

বোরিক এসিড: ৫ গ্রাম

ম্যাগনেশিয়াম সালফেট: ১০ গ্রাম


৫-৭ বছর বয়সী গাছের জন্য :

গোবর: ১৬-২০ কেজি

ইউরিয়া: ৫০০ গ্রাম

টিএসপি: ২৫০ গ্রাম

এমপি: ২০০ গ্রাম

(বাকি অনুপাত অনুরূপ...)


৮-১০ বছর, ১১-১৫ বছর, ১৬-২০ বছর, ২০ বছরের বেশি গাছের জন্য বিস্তারিত ডোজ আগের মতোই বাড়তে থাকে।

সার দেওয়ার সঠিক নিয়ম:

১. নালা পদ্ধতিতে সার দিন:

গাছের চারপাশে ৩০ সেমি চওড়া ও ১৫–২০ সেমি গভীর করে বৃত্তাকারে নালা কাটুন। সেখানেই সার দিন এবং পরে মাটি দিয়ে ঢেকে দিন।

২. ছিটানো পদ্ধতি:

দুপুর বেলায় গাছের ছায়া পড়া এলাকা চিহ্নিত করে সেখানে সার ছিটিয়ে কোদাল দিয়ে মাটি ও সার মিশিয়ে দিন।

মাটিতে রস না থাকলে সার দেওয়ার পরপরই সেচ দিন।



এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

Next Post Previous Post
No Comment
Add Comment
comment url