আসসালামু আলাইকুম হাই ,,MM IT BARI,, এই ওয়েবসাইট ভিজিট করার জন্য আপনাকে স্বাগতম।

মাস্টার্স পাস করে চাকরি চিরিয়াখানায়, অভিনয় করতে হবে বাঘের

  


মাস্টার্স পাস করে চাকরি চিরিয়াখানায়, অভিনয় করতে হবে বাঘের 

বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মাস্টার্স পাস করেও চাকরি পাচ্ছিল না এক যুবক। হঠাৎ একদিন এক চিড়িয়াখানায় তার চাকরি হয়ে গেল।

প্রথমদিন কর্তৃপক্ষ তাকে ডেকে বলল, চিড়িয়াখানার বাঘটা হঠাৎ করে মারা যাওয়ায় খাঁচাটা শূন্য পড়ে আছে। তুমি যদি খাঁচার ভেতর একটা বাঘের পোশাক পড়ে বাঘের মতো তর্জন গর্জন করতে পারো তাহলে মাসে পনেরো হাজার টাকা পাবে।বেকার ছেলেটা তাতেই রাজি।

রোজ চিড়িয়াখানা খোলার আগে সে বাঘের পোশাক পরে খাঁচায় ঢুকে পড়ে। দর্শকের সামনে হালুম হালুম আওয়াজ করে, নানান কায়দা কসরত দেখিয়ে বিনোদন দেয়।দেখতে দেখতে চিড়িয়াখানার দর্শক সমাগম বেড়ে গেল। প্রতিদিন বাঘের খাঁচার সামনে বিশাল ভিড়। চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষও খুশি হয়ে ছেলেটার বেতন বাড়িয়ে দিল।

দিনকাল ভালোই চলছিল। কিন্তু হঠাৎ একদিন ঘটল এক বিপত্তি! বাঘের খাঁচার পাশেই ছিল সিংহের খাঁচা। মাঝখানে লোহার জালের বেড়া। একদিন ছেলেটি সেই বেড়া ধরে লাফিয়ে নেচে কুঁদে দর্শকদের মজা দিতে দিতে পুরাতন লোহার জাল ভেঙে গিয়ে পড়ল সিংহের খাঁচার ভিতরে।এখন কি হবে? পৈতৃক প্রাণটা বুঝি আজ সিংহের হাতেই যায়! ভয়ে জবুথবু হয়ে খাঁচার এক কোণে দাঁড়িয়ে ঠকঠক করে কাঁপতে লাগল বেচারা।

এদিকে সিংহ প্রথমে কিছুক্ষণ চুপচাপ ছেলেটিকে নিরীক্ষণ করল, তারপর গা ঝাড়া দিয়ে উঠে দাঁড়াল। এরপর ধীরে ধীরে এগিয়ে যেতে লাগল শিকারের দিকে। ভয়ে তো ছেলেটার হার্ট এটাক হবার অবস্থা! প্রাণপণে সে সৃষ্টিকর্তাকে ডাকতে লাগল।ঠিক তখন ছেলেটিকে অবাক করে সিংহ বলে উঠল, "ভাই, এত ভয় পাবেন না, আমিও একজন মাস্টার্স পাশ বেকার! গত দুই বছর ধরে এই চিড়িয়াখানায় চাকরি করি।"

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

Next Post Previous Post
No Comment
Add Comment
comment url