আসসালামু আলাইকুম হাই ,,MM IT BARI,, এই ওয়েবসাইট ভিজিট করার জন্য আপনাকে স্বাগতম।

মহাবিশ্বের সীমানা কতটা বড় হতে পারে আপনি জানলে অবাগ হবেন

 


মহাবিশ্বের সীমানা কতটা বড় হতে পারে আপনি জানলে অবাগ হবেন

১) IC 1101
পরিচিত মহাবিশ্বের সবচেয়ে বিশাল গ্যালাক্সি, যার ব্যাস প্রায় ৫–৬ মিলিয়ন আলোকবর্ষ; এতে শত ট্রিলিয়নের বেশি নক্ষত্র রয়েছে এবং এর কেন্দ্রীয় ব্ল্যাক হোল এতটাই বিশাল যে তা একা একটি গ্যালাক্সির সমান ভর বহন করতে পারে।
২) Phoenix A (SPT-CLJ2344–4243)
এক অস্বাভাবিক সুপারম্যাসিভ গ্যালাক্সি যেখানে প্রত্যাশার তুলনায় হাজার গুণ বেশি তারকা জন্ম নিচ্ছে, যেন গ্যালাক্সিটি আজও “জ্বলে উঠছে”।
৩) Malin 1
এক রহস্যময় লো-সারফেস-ব্রাইটনেস গ্যালাক্সি; আকারে বিশাল হলেও এতটাই ম্লান যে বহু বছর বিজ্ঞানীদের চোখ এড়িয়ে গেছে।

৫৬ লক্ষ আলোকবর্ষ বিস্তৃত ব্যাস থেকে শুরু করে বিগ ব্যাং-এর ঠিক পরেই জন্ম নেওয়া প্রাচীনতম গ্যালাক্সির গল্প। মহাকাশ বিজ্ঞানের সংজ্ঞাকে বদলে দেওয়া ১০টি অতি-বিশাল গ্যালাক্সি নিয়ে আজকের আয়োজন। মহাবিশ্বের সীমানা কতটা বড় হতে পারে, তা জানতে চাইলে এই তালিকাটি আপনাকে অবাক করবেই। যদি ভালো লাগে শেয়ার এবং মন্তব্য করবেন।

৪) NGC 6872 (Condor Galaxy)
প্রায় ৫২২,০০০ আলোকবর্ষ বিস্তৃত, ডানার মতো প্রসারিত বাহু নিয়ে এক বিশাল স্পাইরাল দানব।
৫) Hercules A
একটি রেডিও গ্যালাক্সি, যার প্লাজমা জেট লক্ষ লক্ষ আলোকবর্ষ জুড়ে বিস্তৃত, দৃশ্যমান আলোর চেয়েও রেডিও তরঙ্গে বেশি ভয়ংকর।
৬) ESO 306-17
একাকী বিশাল এলিপ্টিক্যাল গ্যালাক্সি, যাকে বলা হয় “ফসিল গ্যালাক্সি”; মনে করা হয় আশেপাশের সব গ্যালাক্সিকে গ্রাস করে একা টিকে আছে।
৭) NGC 1277
আকারে তুলনামূলক ছোট হলেও এর কেন্দ্রীয় ব্ল্যাক হোল গ্যালাক্সির মোট ভরের প্রায় ৬০%—এমন অস্বাভাবিক অনুপাত আজও ব্যাখ্যাতীত।
৮) Messier 87 (M87)
ইভেন্ট হরাইজন টেলিস্কোপে দেখা প্রথম ব্ল্যাক হোলের আবাস; এর জেট পৃথিবী থেকে স্পষ্ট দেখা যায়, হাজার হাজার আলোকবর্ষ লম্বা।
৯) Andromeda Galaxy (M31)
আমাদের নিকটতম বিশাল প্রতিবেশী, যা ভবিষ্যতে মিল্কিওয়ের সঙ্গে সংঘর্ষে লিপ্ত হবে—এক অনিবার্য মহাজাগতিক ভবিষ্যৎ।
১০) GN-z11
এখন পর্যন্ত পর্যবেক্ষিত সবচেয়ে দূরবর্তী ও প্রাচীন গ্যালাক্সিগুলোর একটি; বিগ ব্যাংয়ের মাত্র কয়েকশ মিলিয়ন বছরের মধ্যেই যার জন্ম, যেন মহাবিশ্বের শিশুকাল থেকে আসা এক বার্তা।
গ্যালাক্সির নামগুলো এমনাভাবে রেখেছি যে চাইলেই আপনি কপি করে অনলাইনের মাধ্যমে আরও বিস্তারিত জানতে পারবেন এবঃ হয়ত আরও ভালো ছবি (নাসা, ইএসএ, উইকিপিডিয়া) দেখতেও পাবেন। জানতে পারবেন লোকেশন যদি Skymap এর মতো লাইভ টুলস ব্যবহার করেন। কমেন্ট বক্সেও কিছু চিত্র দেওয়ার চেষ্টা করছি।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

Next Post Previous Post
No Comment
Add Comment
comment url